echo do_shortcode('[story_rating]'); echo do_shortcode('[bookmark_story]');
Posted in

আমার মায়ের গোপন ক্রিয়া

আমার লেখায় কোন গল্প বা কাহিনি নেই, আছে শুধু শৈশব থেকে মধ্য যৌবন পর্যন্ত আমার জীবনের সব চাইতে প্রিয় মানুষ টির সাথে ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনা।
আমার লেখায় দু জনের বেশি কোন চরিত্র নেই।
একজন আমি, অয়ন।
অন্যজন সুহা, আমার প্রেমিকা, আমার জান, আমার জন্মদাত্রি মা।
—–
আমার ছোট বেলার স্মৃতি আমার মা কে ঘিরেই। বাবা বিদেশ থাকতেন। আমরা মা ছেলে আর একটা কাজের মহিলা ছাড়া পরিবার এ আর কেউ নেই।
খুব ছোট বেলার স্মৃতি তো মনে নেই। ১২ বছর বয়স পর্যন্ত স্কুল থেকে ফেরার পর মা আমাকে গোসল করিয়ে দিত। আমি ঘুমাতাম ও মায়ের সাথেই।
মা আমাকে গোসল করানোর পর কাপড় ধুয়ে নিজে গোসল করে বের হতেন। তারপর দুপুরের খাবার শেষে আমরা মা ছেলে একসাথে ঘুমাতাম।
ঘুম থেকে উঠে মায়ের কাছেই পড়তে বসতাম। আমাকে পড়ানোর ফাঁকেই কিছু হাতের কাজ সেরে নিতো মা।
রান্না বান্না করতো কাজের লোকই। উনি বাবা মায়ের বিয়ের পর থেকেই আমাদের সাথে আছেন।
—–
আমার মা ছিলো পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর মহিলা। চোখ , ঠোঁট, কপাল, চিবুক দারুন ভাবে গঠিত। খুব ফর্সা না, কিছু টা গম রঙা। মায়ের শরীর কখনোই ভারী ছিলোনা। তবে শরীরের বর্ণনা এখনই দিবো না।
ছোটবেলায় গোসল আর ঘুমানোর সময় গুলো এখনও মনের স্মৃতিপটে সাজানো আছে যেন, কারণ মায়ের শরীরের সান্নিধ্যে তখনই থাকতাম বেশি।
গোসলের সময় আমার শরীরে মায়ের স্পর্শ, হাত দিয়ে সাবান মাখিয়ে দেয়া, কোলে মাথা রেখে চুলে শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে দেয়ার সময় এক অদ্ভুত পূলকে মনটা ভরে উঠতো। আর মায়ের আধা ভেজা শরীরের কমনীয়তা দু চোখ ভরে উপভোগ করতাম। কপালে আর ঠোটে পানির ফোঁটা গুলো মুক্তার মত ঝিকমিক করতো। মা শাড়ি ছাড়া কিছুই ঐ সময় পরতো না। আর গোসল এর সময় শাড়িও খুলে রাখতো, পরনে থাকতো শুধু ব্লাউজ ও পেটিকোট। ঐ সময় ব্রা প্যান্টি চেনা শিখিনি। প্রথম দিকের স্মৃতি শুধু ঠোঁট, কপাল আর ভেজা ক্লিভেজ নিয়েই‌। ভেজা ক্লিভেজের সৌন্দর্য বর্ণণা করা আমার কাছে সম্ভব না। আমি মোহিত হয়ে তাকিয়ে থাকতাম।
আমরা সবসময়ই জড়িয়ে ধরে শুতাম। মুখোমুখি শুলে মা সবসময়ই আমার মাথাটা তাঁর বুকে চেপে ধরে রাখতো। মায়ের বুকের সুবাসে আমি ঘুমাতাম। ঘুমানোর আগে পর্যন্ত মায়ের পিঠে আর কোমরে হাত বুলিয়ে দিতাম। আমাকে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরলেও আমার মাথা মায়ের বুকেই থাকতো। আর আমি যখন মাকে পিছন থেক জড়িয়ে ধরতাম আমি মায়ের পেটে হাত বুলিয়ে দিতাম। এই হাত বুলানো মা খুবই পছন্দ করতো।
—–
আমি স্কুলে ভর্তি হওয়ার আগে একদিন হঠাৎ করেই দেখলাম আমাদের দোতলা বারান্দায় খুব ছোট ধরনের কিছু কাপড়। ভাবলাম মাকে জিজ্ঞেস করতে হবে এগুলো কি!!
তার বেশ কিছুদিন পর, মায়ের গোসল শেষে আমাকে ওয়াশ রুম থেকে ডাকলো:
-অয়ন, বাবা আসতো একটু
আমি গোসল শেষে আমাদের লিভিং রুমে টিভি দেখছিলাম। এখানে বলে নেই, আমাদের বাসায় তিন টি বেডরুম। দুটো বেডরুম মুখোমুখি, মাঝখানে ফ্যামিলী লিভিং রুমে টিভি। তারপর ডাইনিং, ড্রয়ইং আলাদা; আর ড্রয়ইং রুমের পাশে একটা গেস্টরুম। ওখানেই আমাদের কাজের মহিলা থাকতো। উনি আবার মায়ের দূর সম্পর্কের আত্মীয়া ছিলেন। তাই উনিও আমাদের পরিবারের অংশ।
যাই হোক ঘটনায় আসি।
আমি মায়ের ডাক শুনে দৌড়ে গেলাম।
– বল মা
দেখলাম মাথা, ডান কাঁধ আর হাত বাইরে এনে মা ওয়াশ রুমের দরজার পিছনে দাঁড়িয়ে আছে।
-আমার কাপড় গুলো বিছানার উপর থেকে দাও, আনতে মনে নেই।
কাপড় গুলো নিতে গিয়ে দেখলাম সেই অচেনা কাপড় গুলোর মধ্যে দুইটা। বুঝলাম ওগুলো মায়ের ই। আমি মাকে দিয়ে আসলাম।
পরে সেদিন দুপুরে ঘুমানোর সময় মা কে জিজ্ঞেস করলাম
– মা ঐ ছোট কাপড় গুলা কি?
– কোন ছোট কাপড়?
– আরে তোমার গোসলের পর দিয়ে আসলাম মে
– আআআ বাবু এগুলো জিজ্ঞেস করতে হয় না
– কিন্তু তুমি তো বলেছ তোমাকে আমি সব কিছু জিজ্ঞেস করতে পারি, এখন তুমি না বললে আমি কিভাবে জানবো?
– আচ্ছা বাবা ঠিক আছে, এগুলো আমার, আমি পরি এগুলো।
– কই আমি তো কখনও দেখিনি তোমাকে পরতে
– আরে বোকা এগুলো কি দেখিয়ে পরে? অন্য কাপড়ের নিচে পরে
– বোকা বলছো কেন? তুমি কি কখনো দেখিয়েছো? না দেখলে, না জানলে তো জিজ্ঞেস করবোই
– আচ্ছা বাবা, স্যরি। আর বোকা বলবো না
বলেই মা আমার কপালে একটা চুমু দিল
– মা তুমি কি এখনও পরে আছো ওগুলো?
– হমমম
– দেখাও না , দেখি একটু
– না, দেখতে হয় না
– কি হয় দেখলে?
– তুমি আমার ছেলে না? মাকে এত ছোট কাপড় পরে দেখতে হয় না।
– আমি মেয়ে হলে দেখতে দিতে? ছেলে বলে কি আমাকে কম ভালোবাসো?
চমকে উঠলো মা
– আমি আমার বাবু সোনা কে সব চেয়ে বেশি ভালোবাসি
– তাহলে দেখাও না
কেন যেন জেদ চেপে গেল
– বাবা এরকম করে না, এখন ঘুমাও
– মা, প্লইইইইইইইজ
– আচ্ছা ঠিক আছে
বলে মা ব্লাউজ এর দুটো বোতাম খুলে দিলো। কালো ব্লাউজ এর নিচে অফ হোয়াইট ব্রা ছিলো। কাত হয়ে শোয়ার কারনে মায়ের দুধ দুটো অর্ধেক বের হয়ে ছিলো। দুধ দুটোর রং শরীরের অন্য অংশের চেয়েও সুন্দর।
– কি সুন্দর মা তোমার বুক, আমি কখনও দেখিনি
– ছি: মা কে এভাবে দেখতে হয় না
– দেখব, একশবার দেখব, আমি ছাড়া আমার মা কে আর কেউ দেখতে পারবে না
হেসে দিল মা
– কেন তোর বাবা?
– হ্যা বাবাও তোমাকে ভালবাসে আমার মত, বাবাও দেখতে পারবে
মা হাসতে হাসতে বলল
– এখন ঘুমাও
মা ব্লাউজ এর বোতাম না আঁটকেই আমাকে বুকে টেনে নিলো
আমার নাক আর ঠোট মায়ের দুই দুধের মাঝে ডুবে গেলো। কত যে ভালো লাগছিল, বলে বোঝাতে পারবোনা। একটু পরে নিঃশ্বাস নিতে মুখটা একটু নাড়তেই দুধ দুটো যেন আমার ঠোঁটের চারপাশে টলমল করতে লাগলো। কি যে হয়ে গেলো আমার, আমি আমার ঠোঁট দুটো মায়ের দুই দুধে ঘষতে শুরু করলাম।
– উফফফফফ্ বাবুউউউ, কি কর??
বলে মা আমার মাথাটা বুকে আরও চেপে ধরলো
– উমমমমমমমম ইসসসসসসস্ বাবু কতদিন পর, কতদিন এভাবে আদর করনা মাকে
আমি কিছু না বলে মায়ের কোমরে হাত বুলিয়ে দিতে দিতে এবার মায়ের দুধে চুমু দিতে শুরু করলাম। বুঝতে পারছিলাম মায়ের ভালো লাগছে।
এবার মা আমার কোমরে এক পা উঠিয়ে, পায়ের মাঝখান টা আমার কোমরের সাথে চেপে ধরলো।
– উফফফফফ্ বাবুউউউ আমার সোনা বাবু আর একটু করো, আর একটু
আমি কিছু না বলে দুধে ঠোঁট ঘষতে লাগলাম, আর চুমু খেতে লাগলাম
মা এবার একটা অদ্ভুত কাজ করলো, ডান দিকের দুধটা ব্রা থেকে বের করে আমার মুখে চেপে ধরলো। বুঝলাম না ঠিক আঙুরের মতো কি যেন একটা আমার মুখে ঢুকিয়ে দিল আর বললো
– একটু চুষে দেখ বাবা
আমি চুষতে লাগলাম
– মমমমমমমমম বাবুউউউ
বলে আমার সাথে আরও চেপে এসে একটা হালকা কাঁপুনি দিয়ে ছেড়ে দিলো
আমি ওভাবেই ঘুমিয়ে গেলাম।
—–

mahmudool

📚 Stories: 1

👥 Followers: 0

Login to follow this writer
Next Story → মৌমিতার প্রথম পরপুরুষ – ২
3 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest

0 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments
0
Would love your thoughts, please comment.x
()
x